ইসলামে শবে কদর ও করনীয়
-ইয়াছিন আল মাসুম
মুসলিম উম্মাহর সম্মান বৃদ্ধি ও উদ্ভূত যাবতীয় সমস্যার সমাধান কল্পে ৬১০খ্রিস্টাব্দের পবিত্র রমজান মাসের লাইলাতুল কদরে লাওহে মাহফুজ থেকে প্রথম আসমানে একেবারে পুরো ঐশী মহাগ্রন্থ আল কুরআন নাযিল হয়।
পরবর্তীতে মানবজাতির নানা সমস্যার সমাধানার্থে প্রয়োজনানুসারে অল্প অল্প করে সুদীর্ঘ ২৩ বছরে মানবতার মুক্তির দূত মহানবী (সা.) এর উপর আল কুরআন অবতীর্ণ হয়।
পৃথিবীর অনেক দেশের নানা ভাষাভাষী মানুষের কাছে ‘শবে কদর’ শব্দদ্বয় অধিক সমাদৃত। শবে কদর শব্দ দু'টি ফারসি ভাষার বহুল প্রচলিত শব্দদ্বয়। শব অর্থ রজনী বা রাত আর কদর অর্থ সম্মান, মর্যাদা, ভাগ্য ইত্যাদি। সুতরাং শবে কদর মানে হলো ভাগ্যরজনী বা মর্যাদাপূর্ণ রাত। আরবীতে একে বলা হয় লাইলাতুল কদর। রমজানের ২০ তারিখের পর যে কোনো বিজোড় তারিখে শবে কদর হতে পারে। তবে অনেক আলেমের অভিমত হলো পবিত্র রমজানের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতেই সাধারণত শবে কদর হয়ে থাকে।
মহানবী (সা.) বলেন,‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রজনীগুলোতে শবে কদরকে অনুসন্ধান করো। (মুসলিম শরীফ)।
মুহাক্কিক উলামায়ে কেরামের অভিমত হলো: ‘লাইলাতুল কদর’(لیلة القدر) শব্দদ্বয়ে মোট নয়টি হরফ রয়েছে; আর সুরা কদরে ‘লাইলাতুল কদর’ (لیلة القدر) শব্দদ্বয় মোট ৩বার এসেছে; ৯কে ৩দিয়ে গুণ করলে হয় ২৭, যারফলে ২৭শে রমজান অর্থাৎ ২৬ রমজান দিবাগত রাতে শবে কদর হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশী। (তাফসীরে মাযহারী)
শবে কদর হলো মুসলমানদের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও মহিমান্বিত রজনী। এমর্যাদাপূর্ণ রাত্রি সম্পর্কে মহানবী (সা.) থেকে বহু হাদীস বর্ণিত হয়েছে এবং এর শ্রেষ্ঠত্ব ও মাহাত্ম্য বর্ণনার্থে আল কুরআনে কদর নামে স্বতন্ত্র একটি সূরাই অবতীর্ণ করেছেন। যাতে এই রজনীকে হাজার মাসের চেয়েও উত্তম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
মহান আল্লাহ বলেন, আমি একে (কুরআনকে) শবে কদরে (মহিমান্বিত রজনীতে) নাযিল করেছি। আপনি কি জানেন মহিমান্বিত রজনী কী? মহিমান্বিত রজনী হলো এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এরজনীতে প্রতিপালকের নির্দেশক্রমে প্রত্যেকটি কাজের জন্য সকল ফেরেশতা ও জিব্রাইল (আ.) অবতীর্ণ হন। এই নিরাপদ প্রশান্তি ফজর উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। (সূরা কদর:১-৫)
উপরোক্ত আয়াত সমূহে শবে কদরের শ্রেষ্ঠত্ব ও মহিমার বিষয়টি প্রস্ফুটিত হয়েছে। এ রাতের শ্রেষ্ঠত্বের অন্যতম কারণ হলো এ রজনীতেই কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে। মহান আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই আমি তা (কোরআনকে) এক বরকতময় রজনীতে অবতীর্ণ করেছি, নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী। এ রজনীতে প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়। (সূরা আদ-দুখান, আয়াত: ৩-৪)
মাহে রমজানেই এই মহিমান্বিত রজনী বিদ্যমান যা হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেয় যাতে কালামে হাকীম নাযিল হয়েছে। শবে কদর যে রমজানেই রয়েছে তার প্রমাণ হলো মহান
আল্লাহ তাআলার বাণী: ‘রমজান মাস হলো এমন একটি মাস! যাতে মানবজাতির পথপ্রদর্শনের জন্য ও পথপ্রদর্শনের সুস্পষ্ট নিদর্শনরূপে কোরআন নাযিল করা হয়েছে। (আল বাকারা, আয়াত: ১৮৫)।
মহিমান্বিত বরকতময় এই রজনীতে ইবাদতের মাধ্যমে রাত্রি জাগরণ করে পাপরাশি হতে মুক্ত হয়ে পূণ্য অর্জনে ব্রতী হওয়ার অনন্য প্রয়াস রয়েছে।
হাদীস সম্রাট আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, নবী (সা.) বলেন: যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াবের নিয়তে কদরের রাত জেগে ইবাদত করবে, তার অতীতের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। (বুখারী শরীফ)
উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দীকা (রা.) নবী(সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! (সা.) আমি যদি লাইলাতুল কদর সম্পর্কে জানতে পারি, তাহলে আমি সেই রাত্রিতে আল্লাহর কাছে কী দোয়া করব? রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন; তুমি বলবে, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া; ফাফু আন্নি।’ (‘হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে আপনি ভালোবাসেন; তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।’ (ইবনে মাজা)
হাজার মাসের ইবাদতের চেয়ে শবে কদরের ইবাদত শ্রেষ্ঠ হওয়ায় এ রজনীকে গণিমত মনে করে যথাযথভাবে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে উদযাপন করা চাই। বেশী বেশী ইবাদত-বন্দেগীতেই রাতটি অতিবাহিত করা দরকার।
মহানবী (সা.) বলেন, মহান আল্লাহ সকল রজনীকে শবে কদর দ্বারাই সৌন্দর্যমণ্ডিত ও মোহনীয় করে দিয়ছেন। যাতে পূণ্যময় ও বরকতময় এই মহিমান্বিত রজনীতে বেশী বেশী তাসবীহ-তাহলীল ও উপাসনায় মগ্ন থাকো। (আল হাদীস)
মহান আল্লাহ ইবাদতের মাধ্যমে এই শবে কদরে নেকী লাভের অপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন। এরজনীতে যে সব ইবাদত করা যেতে পারে তা হলো:
★নফল নামাজ:- যেমন: সালাতুত্ তাসবীহ, সালাতুল হাজাত, সালাতুশ শোকর, তাহাজ্জুদ ইত্যাদি। অত্যন্ত মনোযোগ ও খুশু-খুজোর সাথে নফল সালাত আদায় করা। এতে রুকো-সিজদা দীর্ঘ করা, ক্বিরাত লম্বা করা যেতে পারে।
★কোরআন তিলাওয়াত: যে কোনো সূরা বা অংশ পড়া যেতে পারে। তবে ফজিলতপূর্ণ সূরাও তিলাওয়াত করা যায়।
★দরুদ শরীফ: যে কোনো দরুদ শরীফ পড়া যেতে পারে।
★তওবা: অতি বিনয়ের সাথে কৃতপাপরাশির উপর লজ্জিত হয়ে ভবিষ্যতে না করার দৃঢ়প্রতিজ্ঞা করা।
★ইস্তিগফার: মানুষের স্বভাবজাত ধর্মই হলো পাপে নিমজ্জিত হওয়া। হতে পারে তা ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় বা ভুলে। কেউই পাপের উর্ধ্বে নয়। তাই আল্লাহর কাছে এই রাত্রিতে বেশী বেশী ক্ষমা প্রার্থনা করা।
★যিকির-আযকার: মহান আল্লাহ তা'আলার প্রশংসা ও স্তুতিমূলক তাসবীহ-তাহলীল ও যিকির-আযকার করা যেতে পারে।
★কবর যিয়ারত : কোনো রকমের বাড়াবাড়ি না করে শরীয়তের নির্দেশিত পন্থায় কবর যিয়ারত করা।
★দোয়া-মোনাজাত : নিজের জন্য, সন্তানাদির জন্য, পিতা-মাতার জন্য, আত্মীয়স্বজনের জন্য, কাছের ও দূরের বন্ধুবান্ধবের জন্য, বিশ্বের সকল মোমিন নর-নারীর জন্য ও প্রিয় মাতৃভূমি ও দেশের মানুষের মঙ্গল ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া করা।
লেখক: ইয়াছিন আল মাসুম, পিএইচডি গবেষক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও "বাংলাদেশ ট্রিবিউন" রাবি. প্রতিনিধি।
মুসলিম উম্মাহর সম্মান বৃদ্ধি ও উদ্ভূত যাবতীয় সমস্যার সমাধান কল্পে ৬১০খ্রিস্টাব্দের পবিত্র রমজান মাসের লাইলাতুল কদরে লাওহে মাহফুজ থেকে প্রথম আসমানে একেবারে পুরো ঐশী মহাগ্রন্থ আল কুরআন নাযিল হয়।
পরবর্তীতে মানবজাতির নানা সমস্যার সমাধানার্থে প্রয়োজনানুসারে অল্প অল্প করে সুদীর্ঘ ২৩ বছরে মানবতার মুক্তির দূত মহানবী (সা.) এর উপর আল কুরআন অবতীর্ণ হয়।
পৃথিবীর অনেক দেশের নানা ভাষাভাষী মানুষের কাছে ‘শবে কদর’ শব্দদ্বয় অধিক সমাদৃত। শবে কদর শব্দ দু'টি ফারসি ভাষার বহুল প্রচলিত শব্দদ্বয়। শব অর্থ রজনী বা রাত আর কদর অর্থ সম্মান, মর্যাদা, ভাগ্য ইত্যাদি। সুতরাং শবে কদর মানে হলো ভাগ্যরজনী বা মর্যাদাপূর্ণ রাত। আরবীতে একে বলা হয় লাইলাতুল কদর। রমজানের ২০ তারিখের পর যে কোনো বিজোড় তারিখে শবে কদর হতে পারে। তবে অনেক আলেমের অভিমত হলো পবিত্র রমজানের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতেই সাধারণত শবে কদর হয়ে থাকে।
মহানবী (সা.) বলেন,‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রজনীগুলোতে শবে কদরকে অনুসন্ধান করো। (মুসলিম শরীফ)।
মুহাক্কিক উলামায়ে কেরামের অভিমত হলো: ‘লাইলাতুল কদর’(لیلة القدر) শব্দদ্বয়ে মোট নয়টি হরফ রয়েছে; আর সুরা কদরে ‘লাইলাতুল কদর’ (لیلة القدر) শব্দদ্বয় মোট ৩বার এসেছে; ৯কে ৩দিয়ে গুণ করলে হয় ২৭, যারফলে ২৭শে রমজান অর্থাৎ ২৬ রমজান দিবাগত রাতে শবে কদর হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশী। (তাফসীরে মাযহারী)
শবে কদর হলো মুসলমানদের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও মহিমান্বিত রজনী। এমর্যাদাপূর্ণ রাত্রি সম্পর্কে মহানবী (সা.) থেকে বহু হাদীস বর্ণিত হয়েছে এবং এর শ্রেষ্ঠত্ব ও মাহাত্ম্য বর্ণনার্থে আল কুরআনে কদর নামে স্বতন্ত্র একটি সূরাই অবতীর্ণ করেছেন। যাতে এই রজনীকে হাজার মাসের চেয়েও উত্তম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
মহান আল্লাহ বলেন, আমি একে (কুরআনকে) শবে কদরে (মহিমান্বিত রজনীতে) নাযিল করেছি। আপনি কি জানেন মহিমান্বিত রজনী কী? মহিমান্বিত রজনী হলো এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এরজনীতে প্রতিপালকের নির্দেশক্রমে প্রত্যেকটি কাজের জন্য সকল ফেরেশতা ও জিব্রাইল (আ.) অবতীর্ণ হন। এই নিরাপদ প্রশান্তি ফজর উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। (সূরা কদর:১-৫)
উপরোক্ত আয়াত সমূহে শবে কদরের শ্রেষ্ঠত্ব ও মহিমার বিষয়টি প্রস্ফুটিত হয়েছে। এ রাতের শ্রেষ্ঠত্বের অন্যতম কারণ হলো এ রজনীতেই কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে। মহান আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই আমি তা (কোরআনকে) এক বরকতময় রজনীতে অবতীর্ণ করেছি, নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী। এ রজনীতে প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়। (সূরা আদ-দুখান, আয়াত: ৩-৪)
মাহে রমজানেই এই মহিমান্বিত রজনী বিদ্যমান যা হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেয় যাতে কালামে হাকীম নাযিল হয়েছে। শবে কদর যে রমজানেই রয়েছে তার প্রমাণ হলো মহান
আল্লাহ তাআলার বাণী: ‘রমজান মাস হলো এমন একটি মাস! যাতে মানবজাতির পথপ্রদর্শনের জন্য ও পথপ্রদর্শনের সুস্পষ্ট নিদর্শনরূপে কোরআন নাযিল করা হয়েছে। (আল বাকারা, আয়াত: ১৮৫)।
মহিমান্বিত বরকতময় এই রজনীতে ইবাদতের মাধ্যমে রাত্রি জাগরণ করে পাপরাশি হতে মুক্ত হয়ে পূণ্য অর্জনে ব্রতী হওয়ার অনন্য প্রয়াস রয়েছে।
হাদীস সম্রাট আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, নবী (সা.) বলেন: যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াবের নিয়তে কদরের রাত জেগে ইবাদত করবে, তার অতীতের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। (বুখারী শরীফ)
উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দীকা (রা.) নবী(সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! (সা.) আমি যদি লাইলাতুল কদর সম্পর্কে জানতে পারি, তাহলে আমি সেই রাত্রিতে আল্লাহর কাছে কী দোয়া করব? রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন; তুমি বলবে, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া; ফাফু আন্নি।’ (‘হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে আপনি ভালোবাসেন; তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।’ (ইবনে মাজা)
হাজার মাসের ইবাদতের চেয়ে শবে কদরের ইবাদত শ্রেষ্ঠ হওয়ায় এ রজনীকে গণিমত মনে করে যথাযথভাবে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে উদযাপন করা চাই। বেশী বেশী ইবাদত-বন্দেগীতেই রাতটি অতিবাহিত করা দরকার।
মহানবী (সা.) বলেন, মহান আল্লাহ সকল রজনীকে শবে কদর দ্বারাই সৌন্দর্যমণ্ডিত ও মোহনীয় করে দিয়ছেন। যাতে পূণ্যময় ও বরকতময় এই মহিমান্বিত রজনীতে বেশী বেশী তাসবীহ-তাহলীল ও উপাসনায় মগ্ন থাকো। (আল হাদীস)
মহান আল্লাহ ইবাদতের মাধ্যমে এই শবে কদরে নেকী লাভের অপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন। এরজনীতে যে সব ইবাদত করা যেতে পারে তা হলো:
★নফল নামাজ:- যেমন: সালাতুত্ তাসবীহ, সালাতুল হাজাত, সালাতুশ শোকর, তাহাজ্জুদ ইত্যাদি। অত্যন্ত মনোযোগ ও খুশু-খুজোর সাথে নফল সালাত আদায় করা। এতে রুকো-সিজদা দীর্ঘ করা, ক্বিরাত লম্বা করা যেতে পারে।
★কোরআন তিলাওয়াত: যে কোনো সূরা বা অংশ পড়া যেতে পারে। তবে ফজিলতপূর্ণ সূরাও তিলাওয়াত করা যায়।
★দরুদ শরীফ: যে কোনো দরুদ শরীফ পড়া যেতে পারে।
★তওবা: অতি বিনয়ের সাথে কৃতপাপরাশির উপর লজ্জিত হয়ে ভবিষ্যতে না করার দৃঢ়প্রতিজ্ঞা করা।
★ইস্তিগফার: মানুষের স্বভাবজাত ধর্মই হলো পাপে নিমজ্জিত হওয়া। হতে পারে তা ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় বা ভুলে। কেউই পাপের উর্ধ্বে নয়। তাই আল্লাহর কাছে এই রাত্রিতে বেশী বেশী ক্ষমা প্রার্থনা করা।
★যিকির-আযকার: মহান আল্লাহ তা'আলার প্রশংসা ও স্তুতিমূলক তাসবীহ-তাহলীল ও যিকির-আযকার করা যেতে পারে।
★কবর যিয়ারত : কোনো রকমের বাড়াবাড়ি না করে শরীয়তের নির্দেশিত পন্থায় কবর যিয়ারত করা।
★দোয়া-মোনাজাত : নিজের জন্য, সন্তানাদির জন্য, পিতা-মাতার জন্য, আত্মীয়স্বজনের জন্য, কাছের ও দূরের বন্ধুবান্ধবের জন্য, বিশ্বের সকল মোমিন নর-নারীর জন্য ও প্রিয় মাতৃভূমি ও দেশের মানুষের মঙ্গল ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া করা।
- লেখক: ইয়াছিন আল মাসুম, পিএইচডি গবেষক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

No comments:
Post a Comment